শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আওয়ামী যুবলীগ সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গাইবান্ধায় ” শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধার পরিচিতি ও বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন প্রধান শিক্ষক  পলাশবাড়ীতে ১শ ৫০ বিঘা জমিতে সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষে বাঁচবে সময় কমবে ব্যয় সাদুল্লাপুরের রসুলপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সম্মেলন; নতুন কমিটির সভাপতি সৈয়ব-হিমু সম্পাদক পলাশবাড়ীতে আবু বকর ফাজিল মাদ্রাসার ৩ অভিভাবক সদস্যের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন গোবিন্দগঞ্জে এপেক্স ক্লাব এর উদ্যোগে ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত অসুস্থ রোগীকে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান  গোবিন্দগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধানের আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  গোবিন্দগঞ্জে সেফটি ট্যাঙ্ক ধ্বসে শ্রমিকের মৃত্যু  খন্দকার মেমোরিয়াল স্কুলে ব্যতিক্রমী ছাত্র সংসদ নির্বাচন।

ডাঃ মোজাফ্ফর আহমেদ আই কেয়ার সেন্টার,গাইবান্ধা । ০১৭৬৭-৩০৬৭০২

পলাশবাড়ীতে অবৈধ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা

আশরাফুল ইসলাম(গাইবান্ধা প্রতিনিধি)
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২

পরিবেশ আইনের তোয়াক্কা না করে ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে অবৈধভাবে ৭ টি চুল্লি স্থাপন করে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে কয়লা। এসব চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি। আশপাশের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে।

সরেজমিনে জানা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নে বাসুদেবপুর (নুরিয়াপাড়া) গ্রামের নজরুল ইসলাম ও তার জামাতা মিজানুর রহমান যৌথভাবে অবৈধভাবে গড়ে তুলেছে একটি কাঠ পোড়ানো কয়লা কারখানা। তারা প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় বিশেষ ধরনের চুল্লি বানিয়ে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছেন। কাঠ পোড়ানোর সময় নির্গত হয় প্রচুর কালো ধোঁয়া। চুল্লির মধ্যে সারিবদ্ধভাবে কাঠ সাজিয়ে একটি মুখ খোলা রেখে অন্য গুলো মাটি ও ইট দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। খোলা মুখে আগুন দিয়ে সেটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়। ৮ থেকে ১০ দিন পোড়ানোর পর চুলা থেকে কয়লা বের করা হয়। প্রতিটি চুল্লিতে প্রতিবার ২০০ থেকে ৩০০ মণ কাঠ পোড়ানো হয় বলে জানিয়েছেন চুল্লি মালিক নজরুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান। পোড়ানো কয়লা শীতল করে ব্যবসার উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে গড়ে ওঠা চুল্লিতে অবৈধ কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। জনবসতি এলাকা ও ফসলি জমি নষ্ট করে এ কাঠ পোড়ানো চুল্লি স্থাপন করা হয়েছে। লাল মাটি, ইট ও কাঠের গুঁড়া মিশিয়ে তৈরি করা প্রতিটি চুল্লিতে ৮ থেকে ১০ দিনে ২০০ থেকে ৩০০ মণ কাঠ পোড়ানো হয়। এ ধোঁয়ায় যেমন শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগব্যাধি বাড়ছে তেমনি নষ্ট হচ্ছে বনজ সম্পাদ ও ফসলি জমি। কয়লা তৈরির এই প্রক্রিয়ায় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরুপ প্রভাব পড়ছে।

প্রভাবশালীদের ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, চুল্লি থেকে বের হওয়া ধোঁয়ায় আশপাশ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং প্রচুর দুর্গন্ধ হয়। পরিবেশের ছাড়পত্র আছে কি-না চুল্লি মালিক মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর জন্য পরিবেশের ছাড়পত্র লাগেনা।

এদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুজ্জামান নয়ন সাংবাদিকদের বলেন, এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email

যমুনা প্লাজা,গাইবান্ধা -01740569856

জিনিয়াস কিন্ডার গার্টেন এন্ড স্কুল ও জিনিয়াস এডুকেয়ার

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:২৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:১৬ অপরাহ্ণ
  • ১৬:০৮ অপরাহ্ণ
  • ১৭:৪৮ অপরাহ্ণ
  • ১৯:০৪ অপরাহ্ণ
  • ৬:৩৯ পূর্বাহ্ণ
bdgaibandha.news©2020 All rights reserved
themesba-lates1749691102