মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাদুল্লাপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ১১ প্রার্থী বহিষ্কার গাইবান্ধা সদর থানায় যাওয়ার পথে কাকড়ায় চাপায় প্রান গেল বৃদ্ধের গাইবান্ধা নবাগত জেলা প্রশাসক অলিউর রহমান সাথে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণের পরিচিতি সভা নিবন্ধন পেলেন  নিরাপদ যানবাহন চাই নিযাচা ফাউন্ডেশন। সিনিয়র এডভোকেট সিদ্দিকুল ইসলাম রিপুর নিজস্ব অর্থায়নে শীতবস্ত্র বিতরণ গাইবান্ধায় গরু হৃষ্টপুষ্টকরণে চুক্তিবদ্ধ ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম পরিচিতি এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সাদুল্লাপুরের ফরিদপুরে নৌকার নির্বাচনী অফিসে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৬  বাবার সাথে স্কুলে যাওয়া হলো না নাঈমের সাদুল্লাপুরের ইদিলপুরে নৌকা প্রার্থীর উঠান বৈঠক সাংবাদিক পলাশের নানীর ইন্তেকাল

বর্তমান প্রজন্মের একজন সম্ভাবনাময় তরুণ সাংবাদিক আতিকা রহমান

এ.জে.আশিক শাওন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আতিকা রহমান বর্তমান প্রজন্মের একজন সম্ভাবনময় তরুণ সাংবাদিক। পরিশ্রম ও নিষ্ঠা সততা দিয়ে তরুন বয়সেই সাংবাদিকতায় বেশ পরিচিত পেয়েছেন। দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি আরটিভির সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত আছে। কাজের স্বিকৃতিসস্বরুপ উল্লেখযোগ্য রিপোর্ট করার জন্য বেশ কিছু পুরস্কারও অর্জন করেছেন। চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন।
বর্তমান সময়ে মিডিয়ায় যে কজন তরুন নারী সাংবাদিক সফলতার সঙ্গে কাজ করছেন, তার মধ্যে আতিকা রহমান অন্যতম।

আতিকা রহমান ৩ বার ইউনিসেফ বাংলাদেশের মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। ওগুলো সবগুলোই শিশু অধিকার ও শিশু ও কিশোরদের নানা সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে রিপোর্ট করার জন্য।

এছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে পুরস্কার পেয়েছিলাম সেটি ছিলো অপ্রয়োজনে সিজারিয়ান ডেলিভারী, মাতৃত্বকালীন ঝুঁকি ও স্বাস্থ্য নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছিলো। এছাড়া বন্ধু সোসাল ওয়েলফেয়ার থেকে হিজরাদের নিয়ে রিপোর্ট করেও ফেলোশিপ ও অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।
আতিকা রহমান মূলত দুর্নীতি বিরোধী ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংশ্লিষ্ঠ, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে রিপোর্ট করেন। এর পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত নিয়ে নিউজ করেন। ঘটনা দুর্ঘটনা সমসাময়িক অনেক বিষয়ে রিপোর্ট করেন।

আতিকা রহমান সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স এগেইনস্ট করাপশান সংগঠনের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক। এবং নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি- আরএফইডির একজন সক্রিয় সদস্য।

আতিকা রহমানের সাক্ষাৎকার—

সাংবাদিকতার শুরু কিভাবে হলো?

ছোটবেলা থেকে গল্প কবিতা লেখার অভ্যাস ছিলো। ২০০৭ সালে তখন আমি অনার্স ১ম বর্ষে পড়ি। পাক্ষিক অন্যন্যাতে ফিচার লেখা শুরু করি। এবং ২০০৮ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রথম আলোর ফিচার বিভাগে কাজ করতাম। নারীমঞ্চ, ঢাকায় থাকি, স্বপ্ন নিয়ে এসব ফিচার পাতায় লেখা ছাপা হতো। এরপর ২০১০ সালে ৭ মাসের মতো দৈনিক ভোরের কাগজে রিপোর্টার হিসেবে চাকরি করি।
অন্যন্যা, প্রথম আলো এবং ভোরের কাগজে কাজ করার সুযোগ হয় সাংবাদিক শাহনাজ মুন্নী আপার সূত্র ধরে। ওনার হাত ধরেই আমার সাংবাদিকতা শুরু।

 

এরপর ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে আরটিভিতে যোগদান করি। আমার টেলিভিশন সাংবাদিকতার কাজ শেখা এবং আজ এ পর্যন্ত আসার পেছনে আরটিভির অবদান অনেক। আরটিভি আমাকে অনেক ভালো কাজ করার সুযোগ দিয়েছে।

পেশাগত জীবনে এখন কি ধরনের সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে, এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,
বতর্মানে পেশাগত জীবনে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে তথ্য না পাওয়া , কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের হুমকি বা কাজে বাধাসহ কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। এছাড়া এখন সাংবাদিকদের মধ্যে এবং গণমাধ্যমের প্রতিষ্ঠানের মধ্যেও অনেক প্রতিযোগীতা তৈরী হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে এই তথ্য প্রযুক্তি অবাধ প্রবাহের যুগে অনেক নিউজ সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে চলে আসে। সবার দ্রুত নিউজ দেয়ার প্রবণতা আছে। সেই ক্ষেত্রে সঠিক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ মানুষের কাছে পৌছে দেয়াটা অনেক চ্যালেঞ্জিং হয়ে গেছে। ডিজিটাল মাধ্যমের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোটাও এখন অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। এটাকে আমাদের সবার মোকাবেলা করতে হবে

ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্তেও কেন এই পেশা বেছে নিলেন?

আমি মনে করি সাংবাদিকতা অত্যন্ত সৃজনশীল একটি পেশা। এখানে ক্রিয়েটিভ কাজ করার সুযোগ আছে। এই পেশার মাধ্যমে আমার লেখনির মাধ্যমে দেশের মানুষের কথা বলতে পারবো। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারবো। এই কাজের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রগঠনে ভূমিকা রাখতে পারবো একারনেই এই পেশা বেছে নিয়েছি।

নারী সাংবাদিক হিসেবে কতটা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়?

সাংবাদিকতার পেশাটাই অনেক চ্যালেঞ্জিং। অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে কাজ করতে হয়। নারী হিসেবেও অনেক চ্যালেঞ্জ এর মুখোমুখি হতে হয়। কেননা আমাদের সমাজ রাষ্ট্র এখনো প্রত্যাশা অনুযায়ী নারীবান্ধব, নারীদের জন্য সুন্দর কর্মপরিবেশ বা শতভাগ নারীদের জন্য নিরাপদ হয়ে ওঠেনি।
সেক্ষেতত্রে কিছু প্রতিকূলতা আছে। তবে আমি পেশাগত জায়গায় সব সময় চেষ্টা করেছি নারী হিসেবে নয়,, একজন সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে সাহসী ও দক্ষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে।

আমি সব সময় মনে করি কেউ আমাকে জায়গাটা করে দিবেনা। নিজের পরিশ্রম দক্ষতা দিয়ে জায়গা টা তৈরি করে নিতে হবে।।

পেশাগত জীবনে পরিবারের কেমন সহযোগীতা পান?

আমার সাংবাদিকতা পেশার আসতে বাবা মায়ের কোন আপত্তি ছিলো না। আমার পেশাগত জীবনে বিভিন্ন কাজে আমার বাবা মা অনেক সহযোগীতা করেছেন। প্রচন্ড উৎসাহ দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন। বিয়ের পরেও আমার হাজবেন্ডের কাছ থেকে কোন রকম বাধা পাইনা।

আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?
ভবিষ্যতে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে আরও দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এছাড়া আমি নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করতে চাই। এবং পিছিয়ে পরা জনগোষ্টি অটিজম প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করতে চাই।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:২৮ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:১২ অপরাহ্ণ
  • ১৫:৫৬ অপরাহ্ণ
  • ১৭:৩৬ অপরাহ্ণ
  • ১৮:৫৩ অপরাহ্ণ
  • ৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ
bdgaibandha.news©2020 All rights reserved
themesba-lates1749691102