শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নলডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ৬৮ জন প্রার্থী ক্যাপ্টেন পরিচয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ায় আব্দুর রাজ্জাক নামে ভূয়া ক্যাপ্টেন আটক সস্তা বিকল্প নেই, তাই বন্ধ করা যাচ্ছে না পলিথিন গাইবান্ধায় শিশু সুরক্ষা বিষয়ক এনসিটিএফ এর স্কুল কমিটি গঠন ও সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি সেই পিআইও’র মানহানির মামলায় যমুনা টিভির গাইবান্ধার সাংবাদিকসহ ৫ জনের জামিন গাইবান্ধায় এস,এ টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতঃ আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত সাদুল্লাপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ১১ প্রার্থী বহিষ্কার গাইবান্ধা সদর থানায় যাওয়ার পথে কাকড়ায় চাপায় প্রান গেল বৃদ্ধের গাইবান্ধা নবাগত জেলা প্রশাসক অলিউর রহমান সাথে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণের পরিচিতি সভা নিবন্ধন পেলেন  নিরাপদ যানবাহন চাই নিযাচা ফাউন্ডেশন।

রংপুরে পিতার শহীদ স্বীকৃতি ও নিজেদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি না পাওয়ায় পিতৃ হ্ত্যার দায় বিজয়—বিনয়ের

সঞ্জয় সাহাঃ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১

রংপুরে স্বাধীনতার ৫০ বছরেও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মেলেনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ “সতীশ চন্দ্র বর্মণের” পরিবারের।

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তরিক সমবেদনা পত্রসহ প্রধান মন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের দুই হাজার টাকার একটি চেক পাঠালেও অদ্যাবধি সতীশ চন্দ্র বর্মণকে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হিসেবে রাষ্ট্রীয় তালিকাভুক্ত করা হয়নি। এমনকি ২০০০ সালে রংপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রকাশিত রংপুর জেলার ইতিহাস গ্রন্থে পীরগাছা উপজেলায় শহীদদের তালিকায়ও তাঁর স্থান হয়নি।

 

১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল দুই ছেলে বিজয় কুমার বর্মণ এবং বিনয় কুমার রায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে ভারতে যাওয়ায় ১৪ আগস্ট রাতে পাক বাহিনী স্থানীয় রাজাকাদের সহায়তায় সতীশ চন্দ্র বর্মণকে তাঁর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরদিন ১৫ আগস্ট সকালে বাড়ি থেকে এক কিঃমিঃ দূরে বুলেটবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়।

 

সন্তানদের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার অপরাধে শহীদ হলেও সতীশ চন্দ্র বর্মণের পরিবার স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনকালেও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়নি। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেও দুই সন্তানের স্বীকৃতি মেলেনি। স্বামী এবং সন্তানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির আশায় আড়াই দশকেরও বেশি সময় অপেক্ষা করে শহীদের স্ত্রী স্বরবালা বর্মণ অনন্তলোকে পাড়ি জমান। ক্ষোভ আর অভিমানে বিনয় কুমার রায় রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান না, বিজয় কুমার বর্মণ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে ‍স্বীকৃতি পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

 

সতীশ চন্দ্র বর্মণ রংপুর জেলার তৎকালীন পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়নের স্বচাষ গ্রামে যদুনাম বর্মণ ও বিন্নিময়ী বর্মণের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। পেশাগত জীবনে কেরানী হিসেবে চাকুরী জীবন শুরু করেন কল্যাণী ইউনিয়ন পরিষদে। কিছুদিন চাকুরী করার পর তৎকালীন জেলা প্রশাসনের সাথে দ্বন্দ্বের কারণে চাকরি ছেড়ে দিয়ে পৈতৃক কৃষি পেশায় যুক্ত হন। পাশাপাশি হোমিও চিকিৎসক হিসাবে গ্রামবাসীর সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। দেশমাতৃকা শত্রুমুক্ত করার স্বপ্ন নিয়ে অন্য অনেকের মতো সতীশ চন্দ্র বর্মণের দুই ছেলে বিজয় – বিনয় ভারতের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে চলে যান।

 

মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার অপরাধে পাক বাহিনীর হাতে পিতার নির্মম মৃত্যুতেও শহীদের স্বীকৃতি না পাওয়া এবং নিজেরা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি না পেয়ে পিতৃ হত্যার গ্লানি নিয়েই মাহিগঞ্জ হাছান উল্লাহ মহাবিদ্যালয়ের তৎকালীন ছাত্র বিজয়-বিনয় স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকাল অতিক্রম করছেন। তাদের আক্ষেপ সেদিন মুক্তিযুদ্ধে যোগদান না করলে স্বাধীন দেশে পিতৃস্নেহে বড় হওয়ার সুযোগ পেতেন, দেখতে হতো না মায়ের আমৃত্যু চোখের জল।

 

বিডি গাইবান্ধা/

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:২৮ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:১৩ অপরাহ্ণ
  • ১৬:০০ অপরাহ্ণ
  • ১৭:৪০ অপরাহ্ণ
  • ১৮:৫৬ অপরাহ্ণ
  • ৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ
bdgaibandha.news©2020 All rights reserved
themesba-lates1749691102