মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পলাশবাড়ীতে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন এ্যাড উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি ফুলছড়ির কঞ্চিপাড়ার সাপ দিয়ে পাতা খেলা বিষয়ে জানতে ইউএনওর পত্র আদালতের নির্দেশে দাফনের ১৮ দিন পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন চেয়ারম্যান শামসুল মাস্টার নিজগ্রামে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন পলাশবাড়ী‌র হো‌সেনপুর ইউ‌নিয়‌নে ৪ মাসের ভি‌জি‌ডির চাল বিতরন কর্তৃপক্ষ যেন অন্ধঃ গাইবান্ধা শহরের পুরাতন জেল খানার সামনে রাতের আধারে ড্রেন নির্মান, ধ্বসে পড়ছে প্লাষ্টার হারিয়ে যাচ্ছে বাংলার জাতীয় খেলা হা-ডু-ডু পলাশবাড়ী পৌর মেয়রের ত্রান বিতরণ আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা; পলাশপাড়ায় মালিকানাধীন জমি দখল করে রাস্তা তৈরীর অভিযোগ সাদুল্লাপুরের কামারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম মাস্টার আর নেই

সাবেক পার্লামেন্ট সেক্রেটারী বাদশা মিয়ার ৩১ তম মৃত্যু বার্ষিকী

মোঃ আবু হাসানুল হুদা রাশেদ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১

গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার সাবেক এম.এন.এ. এবং পার্লামেন্ট সেক্রেটারী এম.আতাউর রহমান বাদশা মিয়ার ৩১তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ। ২৫ মে এম. আতাউর রহমান (বাদশা মিয়া) ১৯৩৬ সালে গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের আলদাদপুর গ্রামে এক ধনাঢ্য মুসলিম জোতদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আলহাজ্ব এম. আফতাব উদ্দিন আহম্মেদ ফরিদপুরে দীর্ঘ ৪৮ বৎসর পঞ্চায়েত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। দাদা এম. আবদুল কাদের মিয়াও ফরিদপুরের পঞ্চায়েত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘ কাল। ৭ বোন ২ ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন ৫ম সন্তান। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন ডানপিটে স্বভাবের। খেলাধুলা গান-বাজনাসহ হৈ হুল্লোড় নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন সবসময়। ফরিদপুরের জনগণ তাকে অতি অল্প বয়সেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী পঞ্চায়েত প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করেন। পঞ্চায়েত প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় তিনি এলাকার ও জনগণের সেবায় পুরোপুরি আত্মনিয়োগ করেন। তার হাতের ছোঁয়ায় পরিবর্তন হতে থাকে ফরিদপুরের পরিবেশ, রাস্তা, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা,ব্রিজ-কালভার্ট। পরে তিনি জেলা কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন। সততা, নিষ্ঠা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও জ্বালাময়ী বক্তৃতার কারণে খুব অল্প সময়ে ফরিদপুরের গন্ডি পেরিয়ে তার সুনাম আর সু-খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী,সুন্দরগঞ্জ, মিঠাপুকুর,পীরগঞ্জসহ আশেপাশের উপজেলাগুলোতে। এম. আতাউর রহমান বাদশা মিয়া পরিণত হন এক অবিসংবাদিত মাটি ও মানুষের নেতায়। ১৯৬২ সালে মাত্র ২৬ বৎসর বয়সে তিনি বিপুল সমর্থন নিয়ে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিও) নির্বাচিত হন। ২৯ বৎসর বয়সে ১৯৬৫ সালে তদানিন্তন জাতীয় পরিষদের সাদুল্লাপুর, সুন্দরগঞ্জ, মিঠাপুকুর ও পীরগঞ্জ চার থানা মিলে মেম্বার অব ন্যাশনাল অ্যাসেম্বিলি (এম,এন,এ) নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে নিজ যোগ্যতা বলে পাকিস্তান সরকারের কেন্দ্রীয় খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের পার্লামেন্টারী সেক্রেটারী (প্রতিমন্ত্রী) নিযুক্ত হন।

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন সফল পাট ব্যবসায়ী। দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ‘আল-আমিন ডান্ডি’ ছিল অন্যতম।
ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, জেলা কাউন্সিলের সদস্য, প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং জাতীয় পরিষদ সদস্য থাকাকালীন তিনি এলাকার ও জনগণের উন্নয়নে অসংখ্য কাজ করেন। এম.আতাউর রহমান বাদশা মিয়া একদিকে যেমন ছিলেন মাটি মানুষের নেতা, অপরদিকে কবিতা চর্চায়ও ছিলেন সিদ্ধ-হস্ত। ১৯৭৭ সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘স্বালাপ’ প্রকাশিত হয়। ৯২টি কবিতা নিয়ে প্রকাশিত ৬৪টি পৃষ্ঠার তার এই কবিতার বইটি সেই সময় তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করে। তিনি ভালবাসতেন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদেরকে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি কাজ করে গেছেন এ দেশের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের উন্নয়নে। ৭ সন্তান ২ স্ত্রীসহ অসংখ্য ভক্তানুরাগী, স্বজন শুভাকাঙ্খী রেখে মাটি ও মানুষের এই মহান নেতা মাত্র ৫৪ বৎসর বয়সে ১৯৯০ সালের ২৫ মে সন্ধ্যা সাতটায় তার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের সমাপ্তি টানেন।
আজ তাঁর গ্রামের বাড়ি আলদাদপুরের ‘আহম্মদ নগর দারুল উলুম মাদ্রাসায়’ মরহুমের মাগফেরাতের জন্য দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তার সন্তান গাইবান্ধা সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও সাবেক ফরিদপুর ইউপির চেয়ারম্যান এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম.এম খাদেমুল ইসলাম খুদি।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৩ অপরাহ্ণ
  • ১৬:৪০ অপরাহ্ণ
  • ১৮:৫২ অপরাহ্ণ
  • ২০:১৮ অপরাহ্ণ
  • ৫:১১ পূর্বাহ্ণ
bdgaibandha.news©2020 All rights reserved
themesba-lates1749691102