রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধার বিশিষ্ট জুতা ব্যবসায়ী হাসান আলীকে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত!! সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কবিরের ছোট ভাই ফিরোজের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন সুদের টাকা দিতে ব্যর্থঃ গাইবান্ধা শহরের আওয়ামীলীগ নেতা কুখ্যাত সুদারু মাসুদ রানার বলি হলেন জুতা ব্যবসায়ী হাসান!! সাদুল্লাপুরের রসুলপুর রাস্তাটির বেহাল অবস্থা সুন্দরগঞ্জে মসজিদ কমিটির পদ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭; থানায় লিখিত অভিযোগ কু-নাম করে সুনামগঞ্জের পথে দুর্নীতির বরপুত্র শিক্ষা কর্মকর্তা আঃ ছালাম সাদুল্লাপুরে কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বিপ্লব বাঘাইছড়িতে হত্যা-দুর্নীতির দায় এড়াতে বদলির তদবিরে ব্যস্ত বিতর্কিত সেই পিআইও নুরুন্নবী জাপানের “বেষ্ট পেপার অ্যাওয়ার্ড’’পেলেন হাবিপ্রবি অধ্যাপক ড. রাজু করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলাঃ গাইবান্ধায় ন্যায্যমূল্যে ভ্রাম্যমান দুধ ও ডিম বিক্রির উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক মতিন!!

প্রায় ৮ হাজার সড়ক দুর্ঘটনা করোনার বছরেও!!

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২১

স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কোভিড-১৯ মহামারী সংক্রমণের মধ্যে গত বছর যান চলাচল ছিল অনেক কম। লকডাউনের মধ্যে ৬৬ দিন বন্ধ ছিল দূরপাল্লার সব পরিবহন। তুলনামূলকভাবে ব্যক্তিগত গাড়িও চলেছে  কম। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও গত বছর সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যায় অন্যান্য বছরের তুলনায় তেমন একটা হেরফের দেখা যায়নি। উপরন্তু এসব দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যাও অনেক। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের জরিপে পাওয়া তথ্য বলছে, এ সংখ্যা প্রায় আট হাজার।

 

সব ধরনের দুর্ঘটনায় সবার আগে সাড়া প্রদান করে থাকে ফায়ার সার্ভিস। এছাড়া মহাসড়কের দুর্ঘটনা প্রবণ ৯০টি স্থান শনাক্ত করে দ্রুত সাড়া প্রদানের জন্য সেখানে মোবাইল ডিউটিও পরিচালনা করছে সংস্থাটি। ফায়ার সার্ভিসের হিসাব মতে, গত বছর সারা দেশে ৭ হাজার ৮৮৯টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ২০৮ জন। তাদের মধ্যে ১ হাজার ১৫ জন পুরুষ এবং ১৯৩ জন নারী। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ১১ হাজার ৮৬২ জনকে। তাদের মধ্যে পরবর্তী সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও মারা গিয়েছেন অনেকে। তবে সে সংখ্যা ফায়ার সার্ভিসের প্রতিবেদনে উঠে আসেনি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, গত বছর সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে। বিভিন্ন ধরনের যানবাহন একই সড়ক ব্যবহার করায় এ ধরনের দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সবচেয়ে বেশি চলে কনটেইনারবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস। দুই ধরনের যানবাহনের আকারে যেমন ব্যবধান রয়েছে, তেমনই গতিতেও রয়েছে তফাত। এসব কারণেই দেশের সবচেয়ে উন্নত এ মহাসড়কটিতে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটছে সব চেয়ে বেশি।

দেশের বিভিন্ন মহাসড়কের দুর্ঘটনা প্রবণ ৯০টি স্থান শনাক্ত করে সেখানে দ্রুত সাড়া প্রদানের জন্য সার্বক্ষণিক প্যাট্রোল ডিউটি পরিচালনা করছে ফায়ার সার্ভিস। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পাঁচ কিলোমিটার, গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা থেকে ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার, নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ডে পাঁচ, কালিয়াকৈর বাইপাস থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সাত কিলোমিটার সড়কসহ ঢাকা বিভাগের মোট ২৫টি স্পট দুর্ঘটনাপ্রবণ হিসেবে শনাক্ত করে সেখানে প্যাট্রোল ডিউটি পরিচালনা করছে ফায়ার সার্ভিস। মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রবণ স্থান হিসেবে সবচেয়ে বেশি মোবাইল ডিউটি পরিচালনা করা হয় চট্টগ্রাম বিভাগের ২১টি স্থানে। এছাড়া রাজশাহীতে নয়টি, ময়মনসিংহ বিভাগে চারটি, খুলনা বিভাগে ১১টি, সিলেট বিভাগে নয়টি, বরিশাল বিভাগে সাতটি ও সিলেট বিভাগের চারটি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ হিসেবে শনাক্ত করে দ্রুত সাড়া প্রদানের জন্য মোবাইল ডিউটি পরিচালনা করছে ফায়ার সার্ভিস।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক দেবাশীষ বর্ধন সংবাদ মাধ্যমকে  বলেন, মহাসড়কগুলোয় নিয়মিতই দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। দুর্ঘটনাপ্রবণ এমন স্থানগুলো শনাক্ত করে দ্রুত সাড়া প্রদানের জন্য সেখানে আমাদের মোবাইল টিম শিফট আকারে ডিউটি করে থাকে।কারণ দুর্ঘটনার পর দ্রুত হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনকেও দ্রুত সরিয়ে নিয়ে সড়কটি পুনরায় ব্যবহারের ব্যবস্থা করে দিতে হয়। তা না হলে দেখা যায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

শুধু সড়ক দুর্ঘটনা নয়, করোনার বছরে প্রাণঘাতী অন্যান্য দুর্ঘটনাও ঘটেছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায়। এসব দুর্ঘটনায়ও প্রাণহানির সংখ্যা ছিল অন্যান্য বছরের মতোই  ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরে ১৯৩টি নৌ-দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন ২০৯ জন। ২৪টি ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৬০ জনের। ভবন ধসের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি। এতে মারা গিয়েছেন চারজন। পাহাড়ধসের ১৩টি ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ জন। এছাড়া গত বছর ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে ৭৬টি। এতে প্রাণ হারিয়েছেন একজন। সব মিলিয়ে গত বছরে ৯ হাজার ৫৩৫টি দুর্ঘটনা ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় মোট মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ১৩৬।

 

বিডি গাইবান্ধা ডেস্ক/ সঞ্জয় সাহা

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২৮ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৩ অপরাহ্ণ
  • ১৬:৩০ অপরাহ্ণ
  • ১৮:২২ অপরাহ্ণ
  • ১৯:৩৭ অপরাহ্ণ
  • ৫:৪১ পূর্বাহ্ণ
bdgaibandha.news©2020 All rights reserved
themesba-lates1749691102