রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধার বিশিষ্ট জুতা ব্যবসায়ী হাসান আলীকে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত!! সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কবিরের ছোট ভাই ফিরোজের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন সুদের টাকা দিতে ব্যর্থঃ গাইবান্ধা শহরের আওয়ামীলীগ নেতা কুখ্যাত সুদারু মাসুদ রানার বলি হলেন জুতা ব্যবসায়ী হাসান!! সাদুল্লাপুরের রসুলপুর রাস্তাটির বেহাল অবস্থা সুন্দরগঞ্জে মসজিদ কমিটির পদ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭; থানায় লিখিত অভিযোগ কু-নাম করে সুনামগঞ্জের পথে দুর্নীতির বরপুত্র শিক্ষা কর্মকর্তা আঃ ছালাম সাদুল্লাপুরে কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বিপ্লব বাঘাইছড়িতে হত্যা-দুর্নীতির দায় এড়াতে বদলির তদবিরে ব্যস্ত বিতর্কিত সেই পিআইও নুরুন্নবী জাপানের “বেষ্ট পেপার অ্যাওয়ার্ড’’পেলেন হাবিপ্রবি অধ্যাপক ড. রাজু করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলাঃ গাইবান্ধায় ন্যায্যমূল্যে ভ্রাম্যমান দুধ ও ডিম বিক্রির উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক মতিন!!

করনায়-হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্যঃ গাইবান্ধার বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ফেস মাস্ক!!

সঞ্জয় সাহাঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২১

করনা ভাইরাসের কারনে গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ফেস মাস্ক ফেলায় হুমকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য। প্রয়োজন মাস্ক ফেলার নিদিষ্ট স্থান।

প্রকাশ, করনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাচতে নাগরিকরা ব্যবহার করছেন নানান ধরনের ফেস মাস্ক। তবে নাগরিকদের ব্যাবহৃত এসব সামগ্রী যেখানে সেখানে ফেলায় সেগুলো জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র‍্যের জন্য মারাত্নক হুমকির কারন হয়ে পড়ছে। নাগরিক শিষ্টাচার না মেনে ফেলা এসব সামগ্রী এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে সচেতন মানুষের।

গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডস্থ ফায়ার সার্ভিসের পাশে, সদর হাসপাতাল রোডের মেডিসিনের দোকানের সামন সহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ঘুরে দেখা গেছে- এক শ্রেণীর অসচেতন মানুষ মাস্ক ব্যাবহারের পর নিজের খুশি মত ফেলছেন যেখানে সেখানে। শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, প্রতিটি রাস্তা ও গলির সড়ক, ড্রেন, ফুটপাত সবখানেই ব্যবহৃত মাস্কের ছড়াছড়ি। এ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ডাষ্টবিনের অভাবকেই দুষছেন সচেতন নাগরিক, বিশেষজ্ঞ ও এলাকাবাসীরা।

অভিজ্ঞরা বলছেন- ফেলা দেয়া এসব সামগ্রী করনা ছড়ানোর অন্যতম কারন হয়ে উঠতে পারে। ‘ কোভিড-১৯ আক্রান্ত বা উপসর্গহীন মানুষ মাস্ক ব্যাবহার করে নিদিষ্ট স্থানের বাহিরে ফেলায় তা করনাভাইরাসের অন্যতম কারন হয়ে দাড়াতে পারে। এসব জিনিস যেখানে সেখানে ফেলা উচিৎ না। এই বিষয়টা মানুষের বোঝা দরকার। কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী অথবা সন্দেহজনক কোভিড-১৯ রোগীর ব্যাবহৃত মাস্কের মাধ্যমে ভাইরাস খুব দ্রুত ছড়াতে পারে। এগুলো থেকে ছড়াতে পারে বিভিন্ন প্রকার রোগ।

“গাইবান্ধা সচেতন নাগরিক কমিটি সনাক সহ-সভাপতি অশোক সাহা” জানান- যত্রতত্র এসব ব্যাবহৃত সামগ্রী যেখানে সেখানে ফেলায় মানুষের রোগাক্রান্ত হবার ঝুঁকি আরো বাড়ছে। মাস্ক ব্যাবহার করায় মানুষ কিছুটা নিরাপদ থাকছে। কিন্তু ব্যাবহৃত মাস্ক ফেলার জন্য প্রয়োজনীয় ডাষ্টবিন না থাকায় এবং এগুলো যত্রতত্র ফেলছে। এর জন্য মানুষকে মাস্ক ব্যাবহারে সচেতন করার পাশাপাশি ব্যাবহৃত মাস্ক যত্রতত্র না ফেলে নিদিষ্ট স্থানে ফেলার প্রদানের মাধ্যমে ডাষ্টবিনে ফেলার পরামর্শ প্রদান করেন।

সে সাথে গাইবান্ধার বিভিন্ন পাড়া- মহল্লায় ডাষ্টবিনের সংখ্যা অপ্রতুলতাই এর প্রধান কারন।

“গাইবান্ধা জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আঃ খঃ মঃ আখতারুজ্জামান” নাগরিকদের অবহিত করে জানান- নাগরিকদের ব্যাবহৃত মাস্ক যত্রতত্র ফেলায় পরিবেশের বিপর্যয় ঘটছে। আমরা যেসব মাস্ক ব্যাবহার করি এবং ব্যবহার করার পর ফেলে দেই সেগুলো ময়লা ফেলার ডাষ্টবিন বা নিদিষ্ট ময়লা ফেলার জায়গায় ফেলতে নির্দেশ দেন। মাস্ক ফেলার নিদিষ্ট ডাষ্টবিন না থাকায় আপাতত ময়লা ফেলার ডাষ্টবিনে ফেলতে বলেন। হাসপাতাল, বাসা-বাড়ি, বা অফিসে থাকলে ডাষ্টবিনে ফেলতে হবে। না হলে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটবে। এখানে সেখানে মাস্ক ফেললে ছোট বাচ্চারা হাত দিতে পারে। আর সেখানে জীবানু থাকলে ছোট বাচ্চারা আক্রান্ত হতে পারে। আর এ থেকে পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়বে। আমি আহবান করবো- মাস্ক ব্যাবহার করার পর ময়লা ফেলার ডাষ্টবিনে ফেলতে। হাতের কাছে ডাষ্টবিন না থাকলে টিস্যু বা কোন কিছু দিয়ে তা মুড়িয়ে নিজের কাছে সংরক্ষিত করে যেখানে ময়লা ফেলার নিদিষ্ট ডাষ্টবিন রয়েছে সেখানে ফেলার।

চাহিদার তুলনায় ডাষ্টবিন অপ্রতুল হওয়ায় ডাষ্টবিনের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য বিশেষজ্ঞ সহ সচেতন নাগরিকগন পৌর সভার মেয়র সহ পৌর কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সরকারের দেয়া নির্দেশ হল- সরকারি, বেসরকারি অফিস হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির,হাটবাজার, শপিংমল, গণপরিবহন, হোটেল-রেস্তোরাসহ সকল প্রকার সামাজিক অনুষ্ঠান এবং কি পরিবারের সুস্থ সদস্যদেরও মাস্ক ব্যাবহার করা। তবে ব্যাবহৃত মাস্ক জনগন কোথায় ফেলবে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

বিডি গাইবান্ধা/

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২৮ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৩ অপরাহ্ণ
  • ১৬:৩০ অপরাহ্ণ
  • ১৮:২২ অপরাহ্ণ
  • ১৯:৩৭ অপরাহ্ণ
  • ৫:৪১ পূর্বাহ্ণ
bdgaibandha.news©2020 All rights reserved
themesba-lates1749691102