মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসি ব্যবসা জমজমাটঃ নেই প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্ট? প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা সচেতন নাগরিকের!! ধান কাটতে গাইবান্ধার ৭৩ কৃষি শ্রমিক কুমিল্লা ও নন্দীগ্রামে পলাশবাড়ী হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার ও নার্স চাইলেন পৌর মেয়র জননেতা বিপ্লব গোবিন্দগঞ্জে পানির ট্যাঙ্কে পড়ে দুই সহোদরের মৃত্যু গাইবান্ধার স্কুলছাত্রী অপহরণের তিনদিন পর পলাশবাড়ী থেকে উদ্ধারঃ বাবলা মিয়া নামে একজন গ্রেফতার!! করনায় অসচেতন মানুষঃ মানছেনা স্বাস্থ্যবিধি ও লকডাউন; ট্রাফিক ও পুলিশের তদারকি!! করনায় বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষঃ গাইবান্ধা জেলা পুলিশের উদ্যোগে বগুড়ার হাওর এলাকায় কৃষি শ্রমিক প্রেরণ! গোবিন্দগঞ্জে প্রতারক স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন গোবিন্দগঞ্জে আহত ট্রলি শ্রমিক জিল্লুরের চিকিৎসায় সাহায্যের আবেদন সরকারী পুকুর খননের সময় দেড়শ বছরের পুরাতন বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার

২৮১৫ কোটি টাকা ২১ প্রকল্পে খরচঃ পরামর্শক ফাঁদ বিদেশি ঋণে!!

অনলাইন ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১

২৮১৫ কোটি টাকা ২১ প্রকল্পে খরচ। বিদেশি ঋণের প্রকল্পে পরামর্শক সেবা কেনার নামে যেন চলছে লুটপাট।

সরকার সাধারণত নিজস্ব অর্থায়নে ও বিদেশি ঋণ নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের নিজস্ব জনবলের বাইরে কোনো বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন হলে পরামর্শক সেবা কেনার প্রয়োজন পড়ে। তবে বিদেশি ঋণের প্রকল্পে পরামর্শক সেবা কেনার নামে যেন চলছে লুটপাট।

 

প্রয়োজন থাকুক আর না থাকুক, বিদেশি ঋণের প্রায় সব ধরনের প্রকল্পে পরামর্শক সেবা কেনা হচ্ছে। এর দামও চড়া বা অস্বাভাবিক। নিজস্ব অর্থায়নে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়নে পরামর্শক সেবা কেনার প্রয়োজন পড়ে না, বিদেশি ঋণের সে ধরনের প্রকল্পেও পরামর্শক সেবা কেনা হচ্ছে। পরামর্শক সেবার নামে ঋণের বড় অঙ্কের অর্থ বিদেশিদের কাছে ফিরে যাচ্ছে। এতে দেশের জনগণ ঋণগ্রহণের ফলভোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং তাদের ওপর বাড়ছে আসল-সুদের বোঝা।

 

 

সদ্যসমাপ্ত ২০২০ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পাওয়া বিদেশি ঋণ ও অনুদানের নতুন এবং সংশোধিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ২২টির তথ্য বিশ্লেষণ করে পরামর্শক সেবার এমন চিত্র পাওয়া গেছে। তথ্য-উপাত্ত ঘেঁটে দেখা গেছে, ২২টির মধ্যে ২১টি প্রকল্পেই পরামর্শক খাত রাখা হয়েছে। ২১ প্রকল্পের পরামর্শক খাতে খরচ হচ্ছে দুই হাজার ৮১৫ কোটি ১৮ লাখ ১১ হাজার টাকা।
পরামর্শক খরচ রাখা ২২ প্রকল্পের মধ্যে ছয়টিতে বিশ্বব্যাংক, পাঁচটিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), তিনটিতে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), তিনটিতে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি), দুটিতে চায়না এক্সিম ব্যাংক, একটিতে ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা (এএফডি), একটিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), একটিতে দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি) বাংলাদেশ, একটিতে দক্ষিণ কোরিয়ার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড (ইডিসিএফ), একটিতে ভারতীয় তৃতীয় লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) এবং একটিতে কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংক ঋণ (দু-একটিতে আংশিক অনুদানও) দিচ্ছে। কোনো কোনো প্রকল্পে যৌথভাবেও ঋণ দিচ্ছে দু-একটি সংস্থা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘বিদেশি অর্থায়ন মানে হলো ঋণ গ্রহণ। টাকা যখন ধার করি তখন কিছু শর্ত তারা (ঋণদাতা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান/রাষ্ট্র) চাপিয়ে দেয়। না হলে টাকা নেই, দেয় না বা দিতে চায় না। গ্রামের সুদখোররাও তাই করে। আমার ওমুক কাজ করে দিবি বা অমুকের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিবি, তাইলে তোরে ঋণ দিমু। গ্রামের সুদখোররা এরকম করে না? এরকম এরাও (ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান/রাষ্ট্র) করে। সুতরাং তখন তারা বলে যে, এই যে কাজের কথা বললেন, এই কাজটা আপনারা পারবেন না। আপনাদের বিদেশি কিছু বিশেষজ্ঞ দরকার আছে। এখানে দুটি কথা। এক. তাদের বন্ধু-বান্ধবদের কাজে লাগিয়ে দেয়। দুই. ঋণের বড় অংশ ফেরত চলে যায় তাদের কাছে। এটা সব দুনিয়ার মানুষ জানে। তারা এটা করে পার পাচ্ছে, কারণ তাদের কিছু এজেন্ট (দালাল) আমাদের এখানেও আছে। তাদের মাধ্যমে তারা আসে। (নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী) জগৎ শেঠ, উমী চাঁদ পাইছিল না রবার্ট ক্লাইভ? এখনো তা-ই আছে। পরিষ্কার কথা।’
উত্তরণের উপায় ব্যাখ্যা করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘ঈমান ঠিক রাখলে, চুরিচামারি না করলে, কাজ করলে তারা আপনা আপনি সরে যাবে। তারা চীনে করতে পারে না, মিয়ানমারে পারে না, উত্তর কোরিয়ায় পারে না, রাশিয়ায় পারে না, উজবেকিস্তানে পারে না, ভেনেজুয়েলায় পারে না, কিউবায় পারে না। আমাদের এখানে কেন পারে?’

এডিবির পাঁচটি প্রকল্পের সবগুলোতেই পরামর্শক খাত রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে নিজেদের ব্যাখ্যা তুলে ধরে এডিবি ঢাকা কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা গবিন্দ বার বলেন, ‘পরামর্শকরা কী করেন, সেটা আগে জানুন। পরামর্শকরা বিভিন্ন নকশার ক্ষেত্রে, গবেষণার ক্ষেত্রে বিভিন্ন নলেজ প্রোডাক্ট তৈরি করে, বিভিন্ন ডকুমেন্ট তৈরি করে। এখন এমন প্রকল্প যদি হয়, যেখানে এ ধরনের কোনো ব্যাপার নেই, সেখানে পরামর্শক কেন রাখবে? যদি এমন প্রকল্প হয়, যেখানে এগুলোর দরকার আছে; যেমন ধরেন, কোন কোন জমি অধিগ্রহণ করতে হবে, কীভাবে করতে হবে, আইনি জটিলতা, বিভিন্ন রিপোর্ট তৈরি করতে হবে–সেগুলো কারা তৈরি করবে? এগুলো কি সরকারের কর্মকর্তারা তৈরি করে দেবেন? তারা তো এগুলো করেন না, তারা ম্যানেজার্স (ব্যবস্থাপক)। সব লোক তো প্রকল্পে নেই। প্রকল্পে নির্দিষ্ট লোক ধরা হয়। অন্যান্য কাজ আছে। এগুলো তো বাইরের লোক দিয়েই করাতে হবে। মাঠেঘাটে যেতে হবে, বিভিন্ন ধরনের ইমপোর্ট লাগে। সবকিছু করার লোক তো সরকারের নেইও। এজন্য পরামর্শকের দরকার হয়, এগুলো প্রয়োজনীয় নয়? পরামর্শক কেন তা মন্ত্রণালয়কে জিজ্ঞাসা করেন, পরিকল্পনা কমিশন অনুমোদন দেয়, তাদের জিজ্ঞাসা করেন; তাদের তো জিজ্ঞাসা করা উচিত।’
বিশ্বব্যাংকের ছয়টি প্রকল্পেও পরামর্শক খরচ ধরা হয়েছে। তবে তারা সামগ্রিকভাবে পরামর্শক খরচ নিয়ে কিছু বলতে রাজি নয়। সুনির্দিষ্টভাবে তাদের কোনো প্রকল্প ছাড়াও কথা বলতে রাজি নয় প্রতিষ্ঠানটি।

গত ১০ মার্চ অনুমোদিত বিশ্বব্যাংকের ঋণে ‘ঢাকা স্যানিটেশন ইমপ্রুভমেন্ট’ প্রকল্পে ১৭টি পরামর্শক খাতে ১৩৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা খরচ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এটা আমাকে জিজ্ঞাসা করার আগে কি ঢাকা ওয়াসাকে (প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা) জিজ্ঞাসা করেছিলেন? প্রজেক্টটা তৈরি করে কিন্তু সরকার ও বিশ্বব্যাংক একইসাথে। তারা বলতে পারবে কোন কোন খাতে কেন পরামর্শক নিয়েছে। প্রকল্পের নকশাটা ওয়াসাই করেছে। বিশ্বব্যাংক তো প্রকল্পের নকশা করেনি।’

নিজস্ব অর্থের প্রকল্পে পরামর্শক লাগে না, বিদেশি ঋণে লাগে পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, নিজস্ব অর্থের প্রকল্পে পরামর্শক খরচ না লাগলেও বিদেশি ঋণের প্রকল্পে অনেক সময় অপ্রয়োজনেই পরামর্শক সেবা নেয়া হচ্ছে, যা দেখিয়ে খরচ করা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা।

আট হাজার ৮৫০ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা খরচে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ‘সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ’ প্রকল্প। সম্পূর্ণ সরকারি খরচে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে পানি সরবরাহের এত বড় প্রকল্প। এতে প্রয়োজন হচ্ছে না পরামর্শক সেবার।

অন্যদিকে বিদেশি ঋণে ২০২০ সালে দুটি পানি সরবরাহের প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নের প্রকল্পের চেয়ে ছোট (খরচের অংকে)। অথচ সেই বিদেশি ঋণের প্রকল্পে পরামর্শক খাতে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে। বিদেশি ঋণের দুটি প্রকল্পের একটি হালো ‘ভান্ডাল জুড়ি পানি সরবরাহ (প্রথম সংশোধিত)’। প্রকল্পটিতে পরামর্শকের জন্য ২২ কোটি ৬৩ হাজার টাকা খরচ করা হচ্ছে। পানি সরবরাহের দ্বিতীয় প্রকল্প ‘মানবসম্পদ উন্নয়নে গ্রামীণ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি’তে পরামর্শক খাতে খরচ করা হচ্ছে ৫৪ কোটি ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
‘পাঁচদোনা-ডাঙ্গা-ঘোড়াশাল জেলা মহাসড়কে একস্তর নিচ দিয়ে উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেনসহ চার লেনে উন্নীতকরণ (ডাঙ্গা বাজার-ইসলামপুর লিংকসহ) (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্পটি সম্পূর্ণ সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে পরামর্শকের জন্য আলাদা খরচের প্রয়োজন হচ্ছে না। অথচ এডিবির ঋণের মহাসড়কের একই ধরনের ‘সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ এলেঙ্গা-হাটিকামরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পে পরামর্শকের জন্য খরচ করা হচ্ছে ৫৩৫ কোটি ৬৭ লাখ ৩ হাজার টাকা!

ঋণের প্রকল্পে অতি মাত্রায় পরামর্শক খরচ উল্লিখিত চিত্রই বলে দিচ্ছে, আন্তর্জাতিক সংস্থা বা দেশগুলোর কাছ থেকে ঋণ নেয়া প্রকল্পে পরামর্শক খাতে মাত্রাতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক খরচ করা হচ্ছে। তবে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, তাতে পরামর্শক সেবা প্রয়োজন হলেও খরচ সেই তুলনায় নগণ্য।

যেমন- বিশ্বব্যাংকের ঋণে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ‘বাংলাদেশ আঞ্চলিক অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন প্রকল্প-১ (চট্টগ্রাম-ঢাকা-আশুগঞ্জ ও সংযুক্ত নৌপথ খনন এবং টার্মিনালসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনাদি নির্মাণ) (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্প। এটিতে পরামর্শক খাতে খরচ করা হচ্ছে ২৭৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

অথচ প্রায় একই রকমের নৌপথ খননে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ‘নরসিংদী জেলার অন্তর্ভুক্ত আড়িয়াল খাঁ নদ, হাড়িদোয়া নদী, ব্রহ্মপুত্র নদ, পাহাড়িয়া নদী, মেঘনা শাখা নদী ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ পুনঃখনন (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্পে পরামর্শকের দুই খাতে খরচ করা হচ্ছে পাঁচ কোটি ৭৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা, যা ঋণের প্রকল্পটির পরামর্শক ব্যয়ের তুলনায় কিছুই নয়।

ঋণের প্রকল্পে পরামর্শক খরচ বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে এডিবির জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা গবিন্দ বার বলেন, ‘যারা এ ধরনের (বাড়তি পরামর্শক খরচ) কথাবার্তা বলছে, তারা না জেনে এসব বলছে। এগুলো না জানার ফল। অত্যধিক নয়। এগুলোর প্রত্যেকটার রেট আছে। কোন ধরনের ইম্পোর্টে কত ধরনের কত টাকা লাগবে, সেটার একটা বাজারদর আছে, সেই অনুযায়ী করা হয়। এখানে অত্যধিকের কোনো ব্যাপার নেই। এটা বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই হয়। আমরা ইচ্ছামতো ছাপাই তা নয়, এটা তো সরকারের ডকুমেন্ট। সরকারের বিভিন্ন যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া আছে। মন্ত্রণালয় করে, পরিকল্পনা কমিশন করে। মানে এগুলো যাচাই-বাছাই হয়। তারপর এটা অনুমোদন হয়। বাজারদরের ভিত্তিতেই করা হয়। এমনি এমনি নয়। এগুলো প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া। শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা পৃথিবীতেই হচ্ছে।

 

বিডি গাইবান্ধা ডট নিউজ/

 

 

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০১ অপরাহ্ণ
  • ১৬:৩০ অপরাহ্ণ
  • ১৮:২৬ অপরাহ্ণ
  • ১৯:৪৩ অপরাহ্ণ
  • ৫:৩৩ পূর্বাহ্ণ
bdgaibandha.news©2020 All rights reserved
themesba-lates1749691102